Latest Posts

Categories: Blog

স্মার্ট ড্রেসিং

কোন কাটের পোশাক মানাবে বুঝতে পারছেন না ? হাজারো ফ্যাব্রিকের ভিড়ে দিশেহাড়া ? ফিটেড ড্রেস পরতে মন চায় কিন্তু স্বচ্ছন্দবোধ করেন না ? এমন নানা সমস্যার সমাধানে ডিজাইনার সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়।

আমার বয়েস ২৭ । উচ্চতা মাঝারি। সারা শরীরের তুলনায় আমার হাত অনেক বেশি মোটা। তাই শর্ট স্লিভিড কিছু পরতে অস্বস্তি হয়। কি ধরণের পোশাক পরলে আমাকে ভাল লাগবে।
তিস্তা বসু, Dhaka.
উত্তরঃ প্রথমেই বলি নিজের ফিগার নিয়ে কখনই অস্বস্তিতে ভুগবেন না। নিজের ফিগার নিয়ে আপনিই যদি কনফিডেন্ট এবং কমফর্টেবল না হন, সেটা নিয়েও এত চিন্তা করার কিছু নেই। শুনলে হয়েতো অবাক হবেন, বিখ্যাত অভিনেত্রী ডিম্পল কাপডিয়ারও কিন্তু আপনার মতোই সমস্যা আছে। কিন্তু কখনও বুঝতে পেরেছেন? ওরঁও কিন্তু আপনারই মতো শরীরের অন্য অংশের তুলনায় হাত একটু মোটা। তাই খেয়াল করে দেখবেন উনি কিন্তু শর্ট স্লিভড কিছু পরেন না। শাড়ির ক্ষেত্রে লম্বা হাতার ব্লাউজ পরেন সবসময়। ইন্টোলিজেন্ট ড্রেসিং একেই বলে। সাজগোজের মূল মন্ত্রহিল আপানার চেহারার সুন্দর অংশ তুলে ধরা এবং অসুন্দর অংশকে ঢেকে রাখা। আরও একটা কথা। কখনও অন্যদের দেখে নিজের জন্যে পোশাক কিনবেন না। অন্য একজনকে কোন একটা বিশেষ পোশাক ভাল লাগছে বলেই যে আপনাকেও লাগবে এমনটা কিন্তু একেবারেই নয়। যেমন আপনাকে কিন্তু কখনওই স্লিভলেস পোশাকে মানাবে না। যখনই নিজের জন্যে কোনও পোশাক কিনবেন তখন কয়েকটা জিনিসের কথা সময় মনে রাখা উচিত। বয়েস, ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস অনুযায়ী সাজ পোশাক করতে হয়। আপনি যাই পরুন না কেন, খেয়াল রাখবেন সেটা যেন থ্রি কোয়াটার্স অথবা ফুল স্লিভড পোশাক হয়। আর ব্লাউজের ক্ষেত্রেও একই কথা বলব। আপনি সব সময় ভাল ফিডেট কোয়ার্টার গ্লিভড ব্লাউজ পরবেন। আরও একটা কথা । আপনি কখনও হরাইজন্টাল স্ট্রাইপের কিছু পরবেন না। আশা করি, এতে আপনার সমস্যাটা মিটে যাবে।

0 Comment | Posted By
Categories: Blog

সন্তান এবং কেরিয়ার
মা হওয়ার পর কর্মরতা মেয়েরা প্রত্যেকেই একটা দোলাচলে থাকেন। সন্তান না চাকরি ? সন্তান অবশ্যই কাম্য কিন্তু তার জন্যে কেরিয়ারকে বলি দিতে চান না আজকের নারী। ওয়র্কিং মাদারদের রোজনামাচ আলোচনায় প্রিয়াঙ্কা বসু।

এই তো সেদিন পর্যন্ত নারী জীবনের সাফল্যর একমাত্র সংজ্ঞা ছিল স্বামী, সন্তান, শ্বশুর শাশুড়ি সবাইকে নিয়ে মানিয়ে গুছিয়ে ঘর কন্না করা। কিন্তু সমাজের সমস্ত নিয়মের মতোই সময়ের হাত ধরে কখন যেন আমুল পরিবর্তন এসে গিয়েছে মেয়েদের জীবনে। সংসারের ঘেরাটোপ থেকে বেরিয়ে বাইরের জগতে বিভিন্ন পেশায় মেয়েরা অনায়াসে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করেছে। ধীরে ধীরে জব মার্কেটের মেয়েদের চাহিাদ বেড়েছে সমানতালে। সেই জন্যে মেয়েরা আজ শুধু মাদার নন, রীতিমত ওয়ার্কিং মাদার।
চাকরি ও সংসার জাগলিং করাটা অনেক মেয়ের কাছেই দু নৌকায় পা দিয়ে চলার বরাবর হয়ে দাড়ায়। বিশেষ করে যারা সদ্য মা হয়েছেন বা যাদের সন্তান খুব ছোট। এক দিকে সন্তানের বেড়ে ওঠার দুর্লভ মুহুর্তগুলো মিস করার যন্ত্রণা, অন্য দিকে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে গড়ে তোলা কেরিয়ারের অকালমৃত্যু দুটোর কোনও টাই কাম্য নয়। সেই জন্যে সন্তান ও কেরিয়ার দুটোই সাফল্যের সঙ্গে সামলাতে একমাত্র মুশকিল আসান হল ব্যালান্সিং বা ভারসম্য বজায় রাখুন।

অফিসে
• যে মুহূর্তে জানতে পারছেন যে আপনি প্রেগনেন্ট, সেই মুহুর্ত থেকেই বানিয়ে নিন একটা মন্থলি প্ল্যানার। বস বা ইন চার্জের সঙ্গে কথা বলে দেখুন ওয়ার্কিং আওয়ার্সটা একটু ফ্লেক্সিবেল করা যায় কিনা।
• হেলথ চেক আপ, ইমিউনাইজেশন, আলট্রাসোনোগ্রাফি যেসব দিনগুলোর করাতে হবে তা অফিসে জানিয়ে রাখুন যাতে আপনি কাজের সময়টার সামান্য রদবদল করতে পারেন।
• অফিসের কাজ খানিকটা করে এগিয়ে রাখা ভাল যাতে আপনার মেটারমিটি লিভের সময় আপনার সহকর্মীদের উপর চাপ না পড়ে। ছুটিতে যাওয়ার আগে আপনার সহকর্মীদের একটু সময় নিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে যান কী কী কাজ করা আছে এবং কোনগুলো বাকি রয়েছে, যাতে তারা কাজটা সহজেই এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন।
• মেটারনিটি লিভ থেকে ফিরে আসার পর অন্তত ৬ মাস ফ্লেক্সিবল টাইমিং বজায় রাখার ব্যাপারে বসকে অনুরোধ জানান।
• অফিসে থাকার সময়টুকু বাচ্চার জন্য মন খারাপ হতেই পারে কিন্তু এই নিয়ে কোনও রকম অপরাধবোধে ভুগবেন না। কারণ, সন্তানের মতো কেরিয়ারও আপনার জীবনে সমান প্রয়োজনীয়।
• সারাদিনে যতই ব্যস্ত থাকুন ৩-৪ ঘন্টা অন্তর অন্তর ফোন করে বাড়ি খোজ নেবেন।
• বাচ্চা যত বড় হতে থাকবে তাকে ধীরে ধীরে বোঝাতে থাকুন কাজটাও প্রত্যেকের জীবনেই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার কাজটা আপনার স্বামীর থেকে কোনও অংশে কম এই ব্যাপারটা ওর মনে গেথে দিন। বছরের কোনও একটা বিশেষ দিনে বাচ্চাদের আপনার অফিসে কিছুক্ষণের জন্যে নিয়ে আসতে পারেন। আপনি কোথায় বসে কাজ করেন, কী কাজ করেন, কাদের সঙ্গে কাজ করেন বুঝিয়ে বললে ও আপনার কাজের গুরুত্ব ভাল করে ব্যাপারটা বুঝতে পারবে।
• নিজের চারদিকে একটা সার্পোট সিস্টেম গড়ে তুলুন। বাবা মা শুশুর শাশুড়ি বা অন্যান্য আত্মীয় স্বজনের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করুন যাতে কোনও ইর্মাজেন্সিতে ওদের পাশে পেতে পারেন।
• বাচ্চার স্কুল, ক্রেশ, টিউটর ও বন্ধুদের ফোন নাম্বার সব সময় নিজের কাছে রাখুন যাতে অফিসে বসেও যে কোনও মুহূর্তে আপনি ওর খবর নিতে পারেন।
• বাচ্চা স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পর অবশ্যই ফোন করে খোজ নেবেন স্কুলে কী কী হল। পড়ার সঙ্গে খেলা, এক্সট্রাকারিকুলার অ্যাক্টিভিটিজ, বন্ধু, টিচারদের খবরও অবশ্যই নেবেন। বাচ্চা যেন কখনওই অনুভব না করে যে আপনি ওকে নেগলেক্ট করছেন।

বাড়িতে
• বাড়ির সব কাজ একা করতে যাবেন না। জুতো সেলাই চন্ডীপাঠ সব কাজ সুচারুভাবে করলেই যে আপনি সুগৃহিনী বলে গন্য হবেন এ ধারণাটা একেবারেই ঠিক নয়। বাড়ি ও অফিস দুটিই ঠিকমত সামলাতে গেলে আপনার ভূমিকা হওয়া উচিত একজন ম্যানেজারের। বাড়ির কাজ পরিবারের সবার সঙ্গে অবশ্যই ভাগ করে নেবেন।
• কাজ ভাগ করে নেওয়ার ব্যাপারে প্রথমেই সঙ্গে নিন স্বামীকে। বাজার করা, বিল দেওয়ার মতো সময় সাপেক্ষ কাজগুলো ওর জিম্মায় দিন। তবে বাচ্চার সময় অসময়ে বাচ্চার ন্যাপি বদলানো, ঘুম পাড়ানো বা বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কাজও করতে অনুরোধ করুন যাতে উনি বাচ্চার বড় হয়ে ওঠাটা থেকে বঞ্চিত না হন।
• আপনার কেরিয়ার নিয়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যে বিরূপ ধারণা থাকা অস্বাভাবিক নয়। আপনার অনুপস্থিতি সন্তানের দেখাশোনার ব্যাপারে যদি তাদের বয়েসজনিত বা অন্যান্য কারণে অসুবিধে হয় তা হলে একজন দক্ষ লোক রাখতে পারেন।
• বাচ্চার খাওয়া দাওয়া ও পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারগুলো নিজেই তত্ত্বাবধান করুন। আপনার অনুপস্থিতিতে মা বা শাশুড়িকে দেখাশোনার অনুরোধ করতে পারেন।
• আপনার এবং আপনার স্বামীর সেলফোন নাম্বার, অফিসের ল্যান্ডলাইন নাম্বার, ডাক্তারের নাম্বার পরিষ্কার করে টেলিফোন ডায়েরিতে লিখে রেখে যান যাতে যে কোনও ধরনের ইর্মাজেন্সিতে সহজেই যোগাযোগ করতে পারা যায়।
• বাচ্চার আয়াকে প্রথম থেকেই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা উপরে জোর দিতে শেখান। সবচেয়ে ভাল হয়, আপনি যদি মোটামুটি একটা রুটিন ঠিক করে ওকে ভালোভাবে বুঝিয়ে দেন কখন কোনটা করতে হবে। বাচ্চার ওষুধ পথ্য পাখি পড়ার মতো বুঝিয়ে দেবেন।
• আপনি যখন অন্য কাজে ব্যস্ত থাকবেন, বাড়ির অন্যান্য খুদে সদস্যদের বলুন বাচ্চাকে চোখে চোখে রাখতে।
• বাড়িতে অফিসের কাজ না নিয়ে আসার চেষ্টা করুন। যদি একান্তই নিয়ে আসতে হয় তা হলে বাচ্চা যখন হোম ওয়ার্ক করছে তখন কাছাকাছি বসে কাজটা করে নিন। তা হলে ও অনুভব করবে যে আপনার কাজে ওর একটা ভাগ আছে।

0 Comment | Posted By
Categories: Blog

ইস্ত্রির ইতিকথা
ইস্ত্রির আগে জেনে নিন কোন কাপড় কীভাবে ইস্ত্রি করবেন। কীভাবে যত্নে রাখবেন আপনার ইস্ত্রিটিকে, রইল তারও টিপস।
• ইস্ত্রি কতটা গরম হয়েছে, সেটা টেস্ট করার জন্যে ভিজে আঙুল ছুইয়ে জলের ছিটে দিন। যদি সামান্য একটু শব্দ হয়, আর সোল প্লেটে ছোট্র দাগ হয়, বুঝবেন নরম্যাল কাপড় ইস্ত্রির জন্যে যথেষ্ট গরম হয়েছে। যদি কোনও দাগ না হয়, বুঝবেন ইস্ত্রি প্রচন্ড বেশি গরম হয়ে গেছে। আর দাগটা বড় হলে বুঝতে হবে, ইস্তি গরমই হয়নি।
• আয়রন বোর্ড কেনার সময়ে স্লিভ বোর্ডওয়ালা বোর্ডই কিনবেন, নয়তো শার্টের স্লিভ ইস্ত্রি করা যাবেনা।
• ইস্ত্রি করার সময় কোনও পোশাকই টেনে লম্বা করবেন না, শেপ নষ্ট হয়ে যাবে।
• পোশাক ইস্ত্রি করার আগে ঈষদুষ্ণ জল ছিটিয়ে ভিজিয়ে নেবেন। এ জন্য স্প্রে বোটল ব্যবহার করাই ভাল। তবে সিল্ক বা রেয়নের মেটিরিয়ালে এটা করবেন না। তাতে জলের ফোটার দাগ পোশাকে থেকে যায়।
• টেরিলিনের পোশাক ইস্তি করার সময়ে একটি কাগজের শিট এই পোশাকের ওপর বিছিয়ে নিন। তার ওপরে পাতলা সুতির কাপড় রেখে ইস্ত্রি করুন। খুব গরম ইস্ত্রি চাপাবেন না।
• উলেন পোশাক ইস্ত্রি করার আগে উলটে নেবেন। তার ওপরে ভিজে কাপড় চাপা দিয়ে তবে ইস্ত্রি করবেন। নয়লে উলের পোশাকের ইলাস্টিসিটি এবং নরম ভাব নষ্ট হয়ে যাবে। এমনকি পোশাকের শেপও নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
• মসলিনের শাড়ি বা অন্য পোশাক ইস্ত্রি করার সময় খুব সর্তক হয়ে হালকা হাতে ইস্ত্রি করতে হবে। কখনই গরম ইস্ত্রি এ ধরনের কাপড়ের ওপর জোরে চেপে ধরবেন না। তাতে সুতো সরে গিয়ে পোশাকটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
• সুতি ও উলেন পোশাক ভিজে অবস্থাতেই ইস্ত্রি করা উচিত।
• গাঢ় রঙের সুতির কাপড়ে স্টার্চের দাড় এড়াতে হরে কাপড়টি উলটে নিয়ে স্টার্চ করুন। তারপর ইস্ত্রির সময়ে কাপড়ের উলটো দিকটাও ইস্ত্রি করবেন।
• এমব্রয়ডারি করা পোশাক উলটে নিয়ে ইস্ত্রি করলে এমব্রয়ডারি ওয়ার্কের জেল্লা নষ্ট হয় না। উলটো দিকটায় তলায় একটি ফ্লানেলের টুকরো বিছিয়ে নিন। ওপরে একটা ভিজে কাপড় রেখে ইস্ত্রি করুন। নকশটা স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠবে। ওপরের ভিজে কাপড়টা শুকিয়ে না ওঠা পর্যন্ত ইস্ত্রি করবেন, তার পরে আর নয়।
• অর্গ্যান্ডির কাপড় স্টার্চ করবেন না। একটু একটু ভিজে আছে, এমন অবস্থায় গরম ইস্ত্রি দিয়ে চাপ দিলেই এটি স্টার্চ দেওয়া কাপড়ের মতোই টানটান হয়ে যায়।
• প্ল্যাস্টিকের কোনও জিনিস যেমন, বাথটব কার্টেন কি লন্ড্রি ব্যাগ কিংবা প্লাস্টিকের বড় শিট প্লেন করে নিতে হলে এর ওপর সামান্য ভিজে, মোটা বাথ টাওয়েল রেখে বেশ গরম ইস্ত্রি দিয়ে চাপ দিন। একটুও কোচকানে ভাব থাকবে না।
• স্যাটিন বা ক্রপজাতীয় কাপড় সব সময় ভিজে কাপড়ের ভাজের মধ্যে রেখে ইস্ত্রি করবেন।
• ভেলভেট কখনও ইস্ত্রি করতে নেই।
• সিল্ক, রেয়ন বা নাইলন গোছের ডেলিকেট কাপড় সামান্য ভিজে অবস্থায় কম গরম ইস্ত্রি দিয়ে আয়রন করতে হয়।
• সিন্থেটিক মেটিরিয়াল ইস্ত্রি করার আগে কাপড়ের ভিতরের দিকের সামান্য একটু অংশে ইস্ত্রি চাপিয়ে দেখে নিন। কোনও ক্ষতি না হলে বাকিটা ইস্ত্রি করতে পারেন।
• রুমাল বা টেবল ন্যাপকিনে মনোগ্রাম বা ইনিশিয়াল করা থাকলে সব সময়ে ইস্ত্রি করতে হয়, এগুলির উলটো দিক থেকে।
• নেকটাই ভাল করে ইস্ত্রি করতে হলে প্রথমে টাইয়ের সামনের অংশের আকারে একই মাপের কার্ডবোর্ড কেটে নিন। তারপর টাইয়ের দুটি ভাজের মধ্যে সেটি রেখে টাই ইস্ত্রি করুন।
• লোহার পাত বসানো ইস্ত্রির তলাটা পরিষ্কার করার জন্যে গরম ইস্ত্রিতে মোম ঘষে নিন। গরম ইস্ত্রির প্লেটে সামান্য প্যারাফিন বা অলিভ অয়েল মাখিয়ে নিলেও হবে।
• ইস্ত্রি করার পর পাতের গায়ে ভাল করে ভ্যাসেলিন লাগিয়ে তুলে রাখবেন। ইস্ত্রি যখন আবার ব্যবহার করবেন, তখন খবরের কাগজ দিয়ে ভ্যাসেলিন মুছে তুলে ফেলুন। তারপর ইস্ত্রিটি সোডা মেশানো গরমজলে ধুয়ে শুকিয়ে নিন। এবার এটি দিয়ে ইস্ত্রি করুন।
• স্টার্চ করা কাপড় ইস্ত্রি করার পর, সাবধানতার জন্যে ইস্ত্রিটি অল্প গরম থাকতেই পরিষ্কার, ভেজা কাপড়ের টুকরো দিয়ে মুছে নিন। এতে ইস্ত্রির গায়ে স্টার্চের দাগ লেগে থাকলেও চলে যাবে।
• ইস্ত্রির গায়ে স্টার্চের দাগ ধরে গেলে হোয়াইট ভিনিগারে ভেজানো এক টুকরো কাপড় দিয়ে ঘষে সেটা পরিষ্কার করে নিন। তারপর নরম শুকনো কাপড় দিয়ে ঘষে শুকিয়ে নিন। এ ছাড়া ইস্ত্রি অল্প গরম থাকাকালীনই সোল প্লেটের ওপর খানিকটা বেকিং সোডা ছড়িয়ে দিয়ে ভিজে কাপড়ের টুকরো দিয়ে ঘষে নিতে পারেন। এতেও লেগে থাকা স্টার্চের দাগ চলে যাবে।

0 Comment | Posted By
Categories: Blog

World model for sustainable use of rain forests
By Asif Khan
The knowledge and understanding local Amerindian communities have of their natural environment of the rain forest is being put to good use by one of the world’s largest ecological programmes now underway in Guyana.
Research by an Amerindian women’s group has revealed the wide variety of fauna and flora in remote area of Guyana set aside for the programme. It has given valuable insights into biological knowledge, besides social and cultural traditions of indigenous people.
The group identified nearly 200 spices of birds and 60 specied of wild animals. It pressed more than 100 specimens of medicinal and non-medicinal plants and recorded 120 species of fishes and 125 cultivars of varities of cassava, the staple food in many trophical countries.
The research was conducted over ten months by makushi women in central Guyana where nearly a million acres of rain forest have been earmarked for the programme, a Common wealth initiative.
The programme is being run by the Iwokrama International Centre for Rain Forest conservation and Development in Geogetown, capital of Guyana. The centre takes its name its from the forest reserved for the experiment.
The centre is responsible for the management, conservation and sustainable development of the site where there are plans to create a wilderness preserve for scientists and researchers from around the world to study nature in action.
It was dedicated by the Government of Guyana to the International community to show provide ecological, economic and social benefits without destroying biodiversity.
The aim of the women’s research, commissioned by the centre, was to provide baseline data on the characteristics and resources of Iwokrama. Its findings have added to the centre’s rapidly growing data base, available to the wider world community.
Janette Forte, who led the project, said it was conducted by and among women who knew about ethnobotony and who made use of it. “ It has gained from the strength of women’s social roles and their access to sources of knowledge”
Ms Forte said a common fear among Amerindians concerned their intellectual property rights. Would information collected from them be used for gain by outsiders, leaving the rightful owners out of any profits?
These fears have been allayed by Iwokrama which has created a community board to safeguard Amerindians rights and to ensure that they equally benefit from any commercial gains.
The Iwokrama field station on the banks of the Essequibo river about 300 kilometers from Geogetown is providing them with training for employment and the sale of locally produced foodstuffs and forest products.
Iwokrama was the brainchild of former President Desmoned Hoyte of Guyana who offered the site at the 1989 Commonwealth Heads of Government Meeting (CHOGM) in Malaysia which set out a programme for Commonwealth action to protect the environment.
His offer came in the wake of widespread concern about the destruction of the worlds tropical rain forest sometimes called the lungs of the earth. Forest destruction is believed to be an important factor in the so called greenhouse effect or global warming.
Guyana lies on the north-eastern tip of South America and is the only Commonwealth country in the continent. It has a good record in the conservation of forests which occupy about 90 per cent of its area of 83.000 square miles (215,000 square kilometers)
Guyana derives its name from an Ameindian word meaning land of many waters Amerindians Guyahna’s early inhabitants are among its 800.000 multi-racial population most of whom are of African Indian and Chinese origin with a sprinking of people of European decent.
Amerindians are regarded as the natural guardians of the Amazon.
“ The sky is held by trees” goes one of their sayings. “If the forest disappears the sky, which is the roof of the world, collapses Nature and man then perish together.”
Iwokrama aims to show that nature and humans can prosper together rather the perish. About half the site is being maintained in pristine state as a wilderness preserve; the other half will be exploited to provide economic benefits on an environmentally sound basis.
The Iwokrama programme was the idea of a commonwealth expert group led by the eminent Indian scientist, Br, M S Swaminathan, 70. He now heads an international broad of trustees which was formed last year to guide and oversee the work of the centre.
Commonwealth Secretary General Chief Emeka Anyaoju is represented on the board by one of his three deputies, Sir Humphrey Maud of Britain. A second representative is yet to be named by the Secretary General whose other deputies are Mr. Nick Hare of Canada and Mr K Srinivasan from India.
The centre become a legal entity following an agreement signed by President Hoyte’s successor Dr Cheddi Jagan and Chief Anayou at the 1995 CHOGM in New Zeland and the adoption of the 1996 Iwokrama Act by Guyana’s Parlament.
Dr Jagan, who died recently after a long and distinguished career in politics going back to the 1950s, said: “We have no doubts that our forest can provide lasting ecological, economic and social benefits to the people of Guy6ana and the world at large, the questions is how, and we expect Iwokarma to give us the answers.”
Much of that responsibility will fall on the shoulders of David Cassells, an Australian currently with the World Bank in Washington who in June became director general of the centre.
Mr Cassells will succeed Dr Henry Tschinkel, a German born American who served as interim director general of the Iwokrama programme for several years.
A major activity of the centre will be to provide training in sustainable use and management of tropical forests to scientists and researchers from both within and outside the 53 member Commonwealth.
The centre is concentrating on three major areas sustainable management of the tropical rain forest, conservation and utilization of biodiversity and human development.
Since the programme began, there has been a sharp reduction in malaria cases at the site and in neighboring Amerindian communities following improved facilities and public education.
Funding for Iwokrama has come from the Guyanese government, the Commonwealth Fund for Technical Co-operation (CFTC), Canada’s International Development Research Centre, and the Global Environment Facility, the United Nations Development programme and Britain’s Overseas Development Programme and Britain’s Overseas Development Administration. Since 1990 they have together contributed nearly US $5 million to the project.
The CFTC is the operational arm of the London based Commonwealth Secretairat which has nurtured Iwokrama since Guyanas’s offer in Malaysia.
The fund has provided technical assistance through several experts from Britain, Canada and India who have advised Iwokrama in various aspects of its work.
One CFTC specialist, J Denys Bourque of Canada, is currently advising it on non-timber forest products that could be obtained from the site.
John Palmer from Britain, other CFTC experts, is helping the centre to develop project proposals for funding by donors.
Iwokrama also benefits from free scientific advice from the commonwealth Science Council.
Teams of scientists, students and researchers have increasingly been visiting Iwokrama field station and conduction surveys to increase knowledge of the natural resources of the forest and of socio-economic conditions of local communities.
These surveys together with the one by the Makushi women have led to a number of publications by the centre which has installed a geographic information system for the site.
The centre is preparing inventories of Iwokramas flora and fauna. It is collaborating with America’s Smithsonian Institute in surveying the flora. The institute has over two years collected and mounted over 2,000 specimens of vascular plants. Another American institute is surviving the vertebrate fauna, which includes mammal’s birds, reptiles and fishes, found in the area.
The centre together with Amerindians is examining the potential of the site for eco-tourism which combines recreation with environment education. It has trained a group of young people fromrural communities as forest rangers and hired them for field work and as guides for ecotourists.
Shirley Felts, a young American artist living in Britain, produced a collection of striking water colors and drawings of the Iwokroma Forest. These are being used to illustrate outreach materials; some appear on attractive greetings cards produced by the centre.
Sir Humphrey Maud of the board of trustees described Iwokrama as a unique experiment in conservation and sustainable use of tropical forests.
“It will deliver practical insight and results which can serve as a world model for developing policies for the sustainable use of tropical forests.
“It will deliver practical insights and results which can serve as a world model for developing policies for the sustainable management of tropical forests and biodiversity,” said Sir Humphrey, a former British high commissioner to Cyprus and ambassador to Luxembourg and Argentina.

0 Comment | Posted By
Categories: Blog

Tree our Natural Love
Toufiqul Islam
I am not attempting a sort of belle letter type of literacy exercise dealing with fickle human heart but I am trying to glorify perhaps one of our surroundings best friends who takes daily poison from us and gives us a lungful of airy freshness which we may very well call life-giving oxygen.
Shortly after the earliest days of earth When Adam delved and Eve spun, the men and women were hewer of woods and drawer of water. The barks of tree covered their ‘shame’ and its branches provided material for making arches and bows to shoot animal and fuel to roast the meat of the beast of pray while of the beast of pray while the burning fuel kept the predators safely away from men and women and their progenies.
In the beginning was the world, as the Holy Bible says. But the first word in Gutternberg’s wooden block of letters was the first to carry the message in multiple copies in the form of books. The paper came first from the wood. Since then the use of wood in the life of men and women multiplied in miraculously numerous manner which goes really beyond the capacity of any individual human imagination and description. But then it also makes things obvious. We have gone on headless and heedless rampage in ruthless destruction of forests the natural habitat of tree to meet not only our reason able need but also our aristocratic vanity, luxury living and even saving cancerous old men at the cost of lives of as much as three hundred Ewe trees on the American pacific coast the most valuable remnants and yet an endangered spice on earth.
We have mentioned about trees giving us lungful of life saving oxygen, fresh and clean air. But what about if the trees themselves become the lung of the nature? The western environment crusaders had long been calling the Great Amazonian Rainforest to be the Lung of the Planet Earth which had been so long working as great Lung Like factory that received the Carbon Dioxide, the poison, in Socratic style, most the Earth was producing and replaced it with a life-giving freshness of Oxygen. So, the crusaders brought it to bear upon Brazil to stop mindless clearing of the forests. But the real culprits were indeed mostly in crusaders’ countries and in Japan the protégé of the West in Asia. So, a martyrdom was committed in the dense Brazilian Forest and Chise Mends became the first martyr in the struggle to save nature from the lustful hunger of civilized man.
The West has experienced most painful death of their forests though the East and Latin America have been now a days undergoing the same trauma of steadily loss of their valuable mangrove forests. Bangladesh is one of the worst sufferers and for some years has been trying to woe world agencies to draw attention, though not very successfully, to the plight. The west has already built up a culture of nurturing and protecting trees and it has rigorous laws to protect the natural landscape. They have most rigorous clean air legislation too. So, though they are not endowed so lavishly with greeneries, they seldom have cities without tree lines embellishing streets. The famous Black forest of central Europe which almost dies out because of obnoxious industrial fall-outs from faraway lands has now been reviving with its old splendor.
Not because we need tress covering at least a fourth of land if we want to survive economically but because we need it badly to control floods and bring back the precipitation we enjoyed once in this land of reflecting water, as one Bangladesh lover, James Novak has called it. Tree increase humidity and so it brings rain. We can profitably employ it as one our reliable drawer of water when even man-made agreements seem to fail. It is an observed fact; the averages of our annual precipitation have steadily gone down over years as Sundarban our only mangrove forest is mercilessly being cleared off and saline water keeps intruding.
As for floods that make a regular visitation of us, we are being told in sermon from the pulpit manner that we must try and know to live with floods, not resist it. But at the same time, the world scientists have also told us that, mindless clearing of forests upstream our rivers have made the floods worst.
But after all is said and done in praise of our friend Tree. We are not testing him well. Every day as we turn out pages of our national dailies and weeklies, we find stories of reckless cutting, clearing, felling and burning of trees in the households, in brick kilns and even in locomotive engines and also dangerous trafficking in timbers. The country sides are being steadily cleared of fruit bearing trees making the villages nakedly bare, devoid of green, rich, canopies the landscape that was most beloved to the poet. One of the burning problems of our country, the most hard, sensitive, delicate and dangerous bargain which is going on now is most probably centeredaround the preservation of nature as it is. There have been the western arguments in favor of our tribal brethren in the hills because according to them, only they could save nature best and not the people from the plains though this has been an ever simplistic proposition. As for example, Jhoom cultivation has been very destructive to soil and vegetation. Therefore, British legislation of the colonial era, though there might have been motive of preserving a good stock of timbers to be used against advancing yellow perils in Wartimes, also had the good intention of saving the lush green forests from encroaching Jhoom Cultivation by the hillmen. This paradox of the western mind has to understood in the realistic and not in idealistic situations. Ideologically they are in favor of preserving the nature and so they make a case even for the once head hunting tribal of the Papua- New Guinea and Malaysian forest and even come forward half-away to receive the tribal chiefs.
We are not very, certain, what made the poet bestow us with his immortal verse: Give us back the wilderness, take back the cities, but surely, we can assert, cities bored him while tree laden forest give him pure joy of nature in the forest stands in direct contrast with each other.
“Tree-Plantation
Fortnight is observed all over the country. It used to be a lifeless stereotype in routine bureaucratic fashion in the past. But in recent years, the fortnight has begun assuming real importance. Now the news is trickling in from all concerns of the country about the success of tree plantation campaign and it has been reflected in the pioneering initiatives of even women in nursery for a profitable and futuristic self-employment with wider social connotations. In fact, nurseries are sprawling out in large numbers denting the small towns and other growth centers alike with all the good forebodings.
Yes, in spite of all bad news, we have nothing to be discouraged yet. World scientists have said, the most precious asset of the planetary beings would be seeds that raise tree and plants high future of mankind would defend on how we are going to cultivate biotechnology. Tree ‘cut and dead’ represents a corpse of accumulated Carbon Dioxide and with its burning Co2 goes back into the atmosphere. The tree ‘alive represents a living store-house of the same poisonous gas and producer factory of oxygen to make our air clean and friendly. It is a cycle a life-giving cycle for us in which tree plays the friend benefactor a vicious cycle too, if we go on felling and burning tree mindlessly. The burnt tree leaves poison unwillingly for us, but because of us, as it dies in our hands. So, let us not harm our friend tree, let’s plant it as many as we can, narture them and nurse them for the benefit of us all. Us only!

0 Comment | Posted By
Categories: Blog

গরুর মাংসের চপ
উপকরণঃ হাড়ছাড়া মাংস ১ কেজি, পেয়াজবাটা ১ কাপ, আদা ২ টেবিল চামচ, রসুন ২ টেবিল চামচ, দারুচিনি, এলাচি, তেজপাতা পরিমাণমতো, টক দই ১ কাপ, তেল পরিমাণমতো।
প্রণালিঃ মসলাসহ সব ধরনের উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার মাংস ভালো করে ধুয়ে সব মসলা মিশিয়ে তিন থেকে চার ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। হাঁড়িতে সেদ্ধ করে নিন। তার পর নামিয়ে একটা কড়াইয়ে গরম তেলে লাল করে ভাজলেই গরুর মাংসের চাপ হয়ে যাবে। মাংসের ওপর ভাজা পেঁয়াজ ছিটিয়ে গরম গরম পরিবেশ করুন।
হালিম
উপকরণঃ মুগডাল আধা কেজি, মাষকলাইয়ের ডাল আধা কেজি, হাড়সহ মাংস দেড় কেজি, আদাবাটা ১ টেবিল চামচ, আদা কুচি পরিমাণমতো, পেয়াজবাটা আধা কাপ, হলুদ ১ চা চামচ, পাঁচফোড়ন, মরিচ, ধনেবাটা, লবণ, সয়াবিন তেল পরিমাণমতো। তেজপাতা ২ টা, দারুচিনি ৫-৬ টা, এলাচি ৪-৫ টা।
প্রণালিঃ দুই কাপ পানিতে মসলা মিশিয়ে মাংস সেদ্ধ করুন। এরপর ভালো করে কষিয়ে নামিয়ে রাখুন। পেয়াঁজবাটা, পাঁচফোড়ন গুঁড়া, অন্যান্য মসলার গুড়াসহ কড়াইয়ে ভেজে নিয়ে আলাদা পাত্রে রাখুন। এবার দুই রকম ডাল ভালো করে ধুয়ে ছয় কাপ পানি দিয়ে সেদ্ধ করতে হবে। প্রয়োজন হলে আরও পানি দিতে হবে। ডাল ভালোমতো সেদ্ধ হলে ডালঘুটনি দিয়ে ভালোমতো ঘুটে দিতে হবে। এবার ডালের সঙ্গে মাংস মিশিয়ে গুড়া মসলা দিয়ে আরও আধা ঘন্টা মৃদু জ্বাল দিন। মাঝেমধ্যে নেড়ে দিতে হবে। গরম তেলে পেঁয়াজ কুচি লাল করে মরিচ দিয়ে ভেজে নিতে হবে। তারপর বাটিতে হালিম ঢেলে পেয়াজ কুচি, ধনেপাতা কুচি ও আদা কুচি মিশিয়ে গরম পরিবেশন।
দইবড়া
উপকরণঃ মাষকলাইয়ের ডাল আধা কেজি, তেল (১ কাপ), ধনে গুড়াঁ, লবণ, জিরা, গোলমরিচ, শুকনা মরিচ পরিমাণমতো, চিনি বা গুড় ২ টেবিল চামচ, দই আধা কেজি।
প্রণালিঃ ডাল ছয় সাত ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। এবার জিরা, ধনে, গোলমরিচ ও শুকনা মরিচ একসঙ্গে তেলছাড়া ভেজে নিন। ডাল বেটে নিন। বাটা ডাল সামান্য পানি দিয়ে ভালো করে ফেটে নিন। একটা ছয় কাপ পানি ও দুই চামচ লবণ মেশান।
কড়াইয়ে তেল দিন, গরম হলে অল্প অল্প ডাল নিয়ে চ্যাপ্টা আকারের বড়া তৈরি করুন এবং গরম তেলে ভাজুন। বড়া যদি না ফুলে ওঠে, তবে সামান্য পানি দিয়ে ডাল ভালো করে আবার ফেটে নিন। একটি পাত্রে অল্প পানি দিন, তাতে তৈরি বড়া ছেড়ে দিন। এবার দই ব্লেড করুন। বেশি ঘন হলে পানি দিয়ে পরিমাণ ঠিক করুন। বেশি ঘন হলে পানি দিয়ে পরিমাণ ঠিক করুন। ব্লেন্ড করা দইয়ের সঙ্গে গুড়, লবণ ও গুঁড়া মসলা মিশিয়ে নিন। এবার বড়া পানির পাত্র থেকে তুলে পানি ঝরিয়ে একটি পাত্রে রাখুন। বড়ার ওপর দই ঢেলে ওপরে গুড়া মসলা ছিটিয়ে দিন। বড়া নরম খেতে চােইলে তিন চার ঘন্টা দইয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে। ফ্রিজেও রাখতে পারেন। তাহলে স্বাদে ভিন্ন মাত্রা পাবেন।
ডিমচপ
উপকরণঃ ডিম ৫ টা, আলু আধা কেজি, পেয়াজ ২ টা, গোলমরিচ গুড়া, পরিমাণমতো, বিস্কুটের গুড়া পরিমাণমতো।
প্রণালিঃ আলু ধুয়ে সেদ্ধ করুন। সেদ্ধ আলু পানি ঝরিয়ে খোসা ছাড়িয়ে চটকে নিতে হবে। এবার চটকানো আলুর সঙ্গে লবণ, গোলমরিচ ও চিনি মিশিয়ে নিন। চটকানো আলু আট ভাগ করুন। প্রতিটির ভেতর ডিম দিয়ে গোলাকার বা ইচ্ছামতো আকারের চপ তৈরি করুন। চপ তৈরি হলে একটি বাটিতে ডিম ফেটে নিন। ফেটানো ডিমের সঙ্গে তৈরি ডিমের চপগুলো বিস্কুটের গুড়ার সঙ্গে মিশিয়ে ডুবোতেলে ভেজে গরম গরম পরিবেশন।
ঝলসানো মোরগ
উপকরণঃ মোরগ ১টা, পেপেবাটা ৪ চা চামচ, আদা ২ চা চামচ রসুন আধা চা চামচ, মরিচ ১ চা চামচ, হলুদ আধা চা চামচ, দারুচিনি পরিমাণমতো, এলাচি ২ টা , লবণ পরিমাণমতো, একটা লেবুর রস, সরিষার তেল ৪ টেবিল চামচ।
প্রণালিঃ মোরগ কেটে আট বা চার টুকরা করুন। টুকরা করা মোরগ পেপে, আদা, রসুন ও লবণ দিয়ে ৮ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। এবার প্রতি টুকরা মাংসের গায়ে চাকু দিয়ে চার থেকে পাঁচটি দাগ কাটতে হবে। সব মসলা ও তেল মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে আগুনে মাংসের দুই পিঠ ঝলসে নিয়ে সেদ্ধ বা খাবার উপযুক্ত হয়েছে কি না, দেখে প্লেটে নামিয়ে রাখুন এবং ঝলসানো মাংসের ওপর লেবুর রস ও সস দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।
মাংসের কিমা ও পাউরুটির কাটলেট
উপকরণঃ কিমা আধা কেজি, পাউরুটি ৪-৫ টুকরা, আলু সেদ্ধ ৪ টা, কাঁচা মরিচ কুচি ৬-৭ টা, ধনেপাতা কুচি পরিমাণমতো, গোলমরিচ গুড়া ১ চা চামচ, স্বাদ লবণ পরিমাণমতো, চিনি ২ চা চামচ, কাটলেট ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো।
প্রনালিঃ আলু ও মাংসের কিমা আলাদ করে সেদ্ধ করে নিন। পাউরুটি পানি দিয়ে ভিজিয়ে চটকে নিন। এবার পাউরুটি কিমাসহ সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে নিন। পরে কাটলেট তৈরি করুন। ডিম ভালো করে ফেটে নিন। ফোটানো ডিমে কাটলেটগুলো বিস্কুটের গুড়ায় গড়িয়ে ভাজুন এবং গরম গরম পরিবেশন করুন।
ঝলসানো মোরগ
উপকরণঃ মোরগ ১ টা, পেঁপেবাটা ৪ চা চামচ, আদা ২ চা চামচ, রসুন আধা চা চামচ, মরিচ ১ চা চামচ, হলুদ আধা চা চামচ, দারুচিনি পরিমাণমতো, এলাচি ২ টা, লবণ পরিমাণমতো, একটা লেবুর রস, সরিষার তেল ৪ টেবিল চামচ।
প্রনালিঃ মোরগ কেটে আট বা চার টুকরা করুন। টুকরা করা মোরগ পেঁপে, আদা, রসুন ও লবণ দিয়ে ৮ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। এবার প্রতি টুকরা মাংসের গায়ে চাকু দিয়ে চার থেকে পাঁচটি দাগ কাটতে হবে। সব মসলা ও তেল মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে আগুনে মাংসের দুই পিঠ ঝলসে নিয়ে সেদ্ধ বা খাবার উপযুক্ত হয়েছে কি না, দেখে প্লেটে নামিয়ে রাখুন এবং ঝলসানো মাংসের ওপর লেবুর রাস ও সস দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

0 Comment | Posted By
Categories: Uncategorized

কাবাব রকমারি
পোলাও বা পরোটার সঙ্গে চাই নানা রকম কাবাব। দেখুন কল্পনা রহমানের দেওয়া কাবাব তৈরির প্রণালিঃ
সুতা কাবাব
উপকরণঃ মিহি কিমা আধা কেজি (ব্লেন্ড করা), পেঁয়াজ কিউবা আধা কাপ, কাঁচা মরিচ কুচি ২ টেবিল চামচ, বেসন ১ কাপ, ধনেপাতা বাটা ২ টেবিল চামচ, স্বাদ লবণ আধা চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, ডিম ১ টা, রসুন বাটা ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, লাল মরিচের গুড়া ১ টেবিল চামচ, কাবাব মসলা ১ চা চামচ, সাদা সরিষা বাটা ১ চা চামচ, বাদাম বাটা ১ চা চামচ, পেস্তা দানা বাটা আধা চা চামচ, পেপেবাটা ১ চা চামচ, তেল ২ টেবিল চামচ, চর্বি ছাড়া মাংস আধা কেজি। ওপরের সব মসলা খুব ভালোভাবে মাখতে হবে এবং ১ ঘন্টা রেখে দিতে হবে। এটি কাবাব মসলা।
প্রণালিঃ চর্বিছাড়া মাংস পাতলা টুকরা করে সামান্য থেঁতলে নিতে হবে। ১ চা চামচ কাবাব মসলা, ১ চা চামচ লবণ ও ১ চা চামচ স্বাদ লবণ একসঙ্গে মিশিয়ে ওই থেঁতলানো মাংসের ওপর দিতে হবে। এবার প্রথমে মাংসের টুকরা দিতে হবে। তারপর মাঝখানে কিমা দিতে হবে। আবার টুকরা তারপর কিমা দিতে হবে। সবার ওপরে মাংসের টুকরা দিয়ে হাতে নিয়ে গোল করে নিতে হবে। সুতা দিয়ে পেঁচিয়ে নিতে হবে। ওভেনের ট্রেতে তেল মাখিয়ে নিয়ে এটি দিতে হবে। ওপরে হালকা করে তেল মাখিয়ে দিতে হবে। ২৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ৩০ মিনিট এবং পরে ১৮০ ডিগ্রিতে ৫ মিনিট রাখতে হবে। হয়ে এলে ব্রাশ দিয়ে ওপরে গরম মসলার গুঁড়া মেখে নিতে হবে। গ্যাসের চুলায় তাওয়া বসিয়ে তার ওপর গ্রিল দিয়েও চলাতে সুতা কাবাব করা যায়।
রেশমি কাবাব
উপকরণঃ মুরগির মাংস ২ কাপ, গোলমরিচ গুড়া আধা চা চামচ, টকদই আধা কাপ, সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, কাবাব মসলা আধা চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, লবণ ১ চা চামচ, লবণ ১ চা চামচ, মেথি গুঁড়া সিকি চা চামচ, ক্রিম ৩ টেবিল চামচ।
প্রণালিঃ মুরগির মাংস ১ ইঞ্চি লম্বা ও ১ ইঞ্চি চওড়া করে কেটে নিতে হবে। বুকের টুকরা হলে ভালো হয়। ওপরের সব উপকরণ একসঙ্গে মাংসের সঙ্গে মাখিয়ে আধা ঘন্টা রেখে দিতে হবে। শিকে গেঁথে কয়লার আগুনে ঝলসে নিতে হবে।
কাবাবি মুরগি
উপকরণঃ মুরগি দেড় কেজি ১ টা, সরিষার তেল সিকি কাপ, আদা বাটা ১ চা চামচ, লবণ ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, সরিষা বাটা ১ টেবিল চামচ, লাল মরিচের গুড়া দেড় চা চামচ, হলুদ ১ চিমটি, মাঝারি সাসলিক কাঠি ৮-১০টি, গরম মসলা গুড়া ১ চা চামচ।
প্রণালিঃ মুরগি টুকরা করে ধুয়ে পানি ঝরাতে হবে। তেল বাদে ওপরের সব উপকরণ একসঙ্গে মুরগিতে মেখে ২০ মিনিট রেখে দিন। এবার টুকরাগুলো সাসলিক কাঠিতে গেঁথে নিতে হবে। কড়াইতে তেল দিয়ে কাঠিতে গাঁথা মাংস দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। সিদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে কাবাবের মতো পোড়া পোড় হলে নামিয়ে পরিবেশন।
খাসির কাবাব
উপকরণঃ খাসির মাংস ১ কেজি, মরিচ গুড়া দেড় চা চামচ, আদা বাটা ২ চা চামচ, তেল আধা কাপ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি দেড় কাপ, লবণ প্রয়োজনমতো। জয়ফল, জয়ত্রী, এলাচ, দারুচিনি ১ টা করে, তেজপাতা ২ টি, কাঁচা মরিচ ১ টা, চিনি ১ টেবিল চামচ।
প্রণালিঃ খাসির বুকের মাংস এক আকারে কেটে নিতে হবে। মাংসে আদা, রসুন, লবণ, মরিচ গুড়া, তেজপাতা ও সব গরম মসলা দিয়ে সিদ্ধ করতে হবে পরিমাণমতো পানি দিয়ে। মাঝারি সিদ্ধ হলে তেলে পেঁয়াজ বেরেস্তা করে তা দিয়ে দিতে হবে মাংসে। সিদ্ধ হয়ে যখন মাংস ভাজা ভাজা হবে, তখন চিনি ও কাঁচা মরিচ দিয়ে একটু দমে রেখে পরিবেশন।

0 Comment | Posted By
Categories: Uncategorized

কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া নেবেন?
বিয়ে, জন্মদিন কিংবা অন্য যেকোন অনুষ্ঠানে আজ আমরা চাই, একটি সুন্দর গোছানো মনোমুগ্ধকর পরিষ্কার বড়সড় পরিবেশ। নিজ বাসস্থানের সীমিত পরিসর নয়, অন্য কোনো বড় আয়োজন। আর তাই কমিউনিটি সেন্টার, হোটেল বলরুম এবং ক্লাব হলরুমগুলোর চাহিদা আজ বিপুল পরিমাণে। তবে ভাড়া নেয়ার আগে জানা দরকার কোনটার কতো দাম? জেনে নিন
প্রলয় রহমান
১. সোহাগ কমিউনিটি সেন্টার: সাধারণত দুটি বেলায় সম্পন্ন হয়। প্রতি বেলার জন্য জায়গা ভাড়া ৮ হাজার ৫০০ টাকা। তবে ডেকোরেশনের জন্য আলাদা খরচ লোকের ওপর নির্ভর করে। ঠিকানা- ৯১ ইস্কাটন রোড, ফোন- ৪১৬৭৩৭
২. মোহনা কমিউনিটি সেন্টার: প্রতি বেলার জন্য শুধু জায়গা ভাড়া ১৪ হাজার টাকা। ঠিকানা- বাড়ি নং-১৬, রোড নং-২৭, ধানমন্ডি, ঢাকা। ফোন- ৮১৬৯৩২।
৩. পার্টি সেন্টার: প্রতি বেলার জন্য শুধু জায়গা ভাড়া ৭ হাজার টাকা। ঠিকানা- বাড়ি নং-১, রোড নং-১৩, ধানমন্ডি ঢাকা। ফোন-৯১১৫০৬৯।
প্রিয়াংকা কমিউনিটি সেন্টার: প্রতি বেলার শুধু জায়গা ভাড়া ৮ হাজার টাকা। ঠিকানা- বাড়ি নং-৫০, রোড নং- ৬/এ নিউ ধানমন্ডি, ঢাকা, ফোন- ৮১৭৭৪৮।
৫. মহানগর কমিউনিটি সেন্টার : প্রতি বেলার শুধু জায়গা ভাড়া ৬ হাজার ৫০০ টাকা। ঠিকানা- বাড়ি নং-৩৩, রোড নং-৪, ধানমন্ডি, ঢাকা। ফোন- ৫০২৯০২।
৬. সেনাকুঞ্জঃ যেহেতু এটি সামরিক বাহিনীর সুবিধার্থে, তবুও এখানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানি হয়। সামরিক লোকদের জন্য ১০ হাজার টাকা ও বেসামরিকদের জন্য ৭৫ হাজার টাকা প্রতি বেলায় শুধু স্থান ভাড়া। ঠিকানা- ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, সেনাকুঞ্জ, ফোন-২৬০৮ আর্মি এক্সচেঞ্জ ৮৮২৭৭৩-৭৫।
৭. ঢাকা অফিসার্স ক্লাবঃ শুধু স্থান ভাড়া এক বেলা ১০ হাজার ৫০০ টাকা। ঠিকানাঃ ২৬, বেইলি রোড, ফোন- ৪০৯৫৯৬।
৮. উত্তরা ক্লাবঃ শুধু স্থান ভাড়া প্রতিবেলা ১০ হাজার টাকা। ঠিকানা- বাড়ি নং-৬, রোড নং-৯, সেকশন-১, উত্তরা। ফোন- ৮৯২৬০০।
৯. বিসিএসআইআর ক্লাবঃ প্রতিবেলা শুধু স্থান ভাড়া ৮ হাজার টাকা। ঠিকানা- বিসিএসআইআর সাইন্স ল্যাবরেটরি, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫। ফোন- ৫০২১৮৯।
১০. রূপলী বিবাহ ঘরঃ প্রতিবেলা শুধু স্থান ভাড়া ৮ হাজার টাকা। ঠিকানা- ৬/সি, ১১ এর ১ মিরপুর, ঢাকা।
১১. সোবাহানবাগ কমিউনিটি সেন্টারঃ প্রতিবেলা শুধু স্থান ভাড়া ২ হাজার টাকা তবে ডেকোরেশন করে দিলে ১০ হাজার টাকা। ঠিকানা- ২, সোবাহানবাগ, ফোন- ৮১৩৭৩৩।
১২. হোটেল রাজমনি ঈশা খাঃ বিয়ে ও অন্যসব অনুষ্টান প্রতিবেলা স্থান ভাড়া ৮ হাজার তবে ফ্যাশন শো, বিভিন্ন সেমিনারের জন্য প্রতিবেলা ৩৫ হাজার টাকা। ঠিকানা- ৮৯/৩ ভিআইপি রোড, কাকরাইল, ঢাকা। ফোন- ৮৪২৪২৬-৯।
১৩. সোনারগাও হোটেলঃ এদের স্থানের (হোটেল বলরুম) কোনো ভাড়া নেই। তবে নির্দিস্ট পরিমান লোক বুঝে এদর খাওয়া দাওয়ার মেন্যু এবং ডেকোরেশনের ওপর খরচ নির্ভর করে ফোন- ৮১২০১১-৫। (অবশ্যই এক মাস আগে বুকিং করতে হবে)
১৪. ঢাকা শেরাটনঃ এদের হোটেল বলরুমের ভাড়া এবং অন্যান্য খরচ খরচা হোটেল সোনারগাও এর মতোই। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই বুকিং করতে হবে। ফোন- ৮৬১১৯১-৫।
১৫. হোটেল পূর্বানী ইন্টাঃ এদেরও খরচ খরচা হোটেল সোনারগাঁও ও শেরাটনের মতোই। ফোন- ৯৫৫২২২৯-৩২।

0 Comment | Posted By
Categories: Blog

বিশ্ব বাজারে সম্ভাবনা জাগাচ্ছে ফুটওয়্যার
শাহ আলম খানঃ
ফুটওয়্যার ও লেদার গুডসের চাহিদা আর্ন্তজাতিক বাজারে ক্রমাগত বাড়ছে। পন্যের গুণগত মান, ডিজাইন ও তুলনামুলক সস্তা দামের কারণে বিশ্ব বাজারে এ শিল্পটি ইতোমধ্যে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে। বর্তমানে ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ প্রায় ৩০ টি দেশে ফুটওয়্যার ও লেদার গুডস রফতানি হচ্ছে। রফতানির নতুন বাজার বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে মধ্যেপ্রাচ্যের দেশগুলোতেও। রফতানিকারকরা বলছেন, চলতি ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে ফুটওয়্যার ও লেদার গুডস থেকেই রফতানি খাতে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি আসবে। দেশে বিদেশে পর্যাপ্ত চাহিদা তৈরি হওয়ায় ফুটওয়্যার ও লেদার গুডসের উৎপাদক ও রফতানিকারক প্র্রতিষ্ঠানগুলোও উৎপাদন ও গুনগতমান বাড়ানোর দিকে মনোযোগী হচ্ছে। সম্ভাবনার কাতারে বিদেশী কয়েকটি উৎপাদক প্রতিষ্ঠানও এ খাতে বিনিয়োগ শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট সুত্রে মতে, চীন থেকে নামী দামী জুতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ স্থানান্তরিত হচ্ছে। তাইওয়ানও ইপিজেডের মাধ্যমে এ শিল্পে বিনিয়োগ করছে। কোরিয়া এবং জাপানও এখানে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সব মিলিয়ে ফুটওয়্যার ও লেদার গুডসের চাহিদা এবং রফতানির বাজার এখন দারুন চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। উদোক্তাদে মতে, এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী তিন বছরে (২০১৩ সাল নাগাদ) শুধুমাত্র ফুটওয়্যার রফতানি থেকেই ১০০ কোটি ডলার রফতানি আয় সম্ভব হবে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী চলতি ২০১০ -১১ অর্থবছরে ফুটওয়্যার রফতানির লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ২৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার। লক্ষমাত্রার বিপরীতে অর্থবছরের প্রথম পাচ মাস অর্জিত হয়েছে ১১ কোটি ৮৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার। গত ২০০৯-১০ অর্থবছরে ফুটওয়্যার রফতানি থেকে ২০ কোটি ৪০ লাখ ডলার মুল্যের রফতানি আয় হয়েছে। ফুটওয়্যার রফতানিকারকরা আশা করছেন অর্থবছরের বাকি সাত মাসে তারা লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারবেন।
লেদার গুডসের ক্ষেত্রেও রফতানির ইতিবাচক সম্ভাবনা অব্যাহত রয়েছে। এ সময়ে ৩ কোটি ৪৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার লক্ষমাত্রা অর্জনের বিপরীতে ২ কোটি ৯ লাখ ডলার রফতানি আয় হয়েছে। এছাড়া চামড়া রফতানির ক্ষেত্রেও উ উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। ২৯ কোটি ৩৯ লাখ ৪০ হাজার ডলারের লক্ষমাত্রার দৌড়ে ইতোমধ্যে প্রায় ১১ কোটি ডলার রফতানি আয় অর্জিত হয়েছে।
বর্তমানে দেশে ফুটও্য়্যার বৃহত্তর রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান হচ্ছে অ্যাপেক্স এডেলিক ফুটওয়্যার। এছাড়া এফবি ফুটওয়্যারের যথেষ্ট খ্যাতি এবং বিদেশে নিজস্ব ক্রেতা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর বাইরে বে ট্যানারিসহ প্রায় অর্ধশতাধিক মান সম্পন্ন উৎপাদক ও রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান বিশ্ববাজারে এ শিল্পকে উচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত করার ব্যবসায়িক প্রচষ্ঠা অব্যাহত রেখেছে।
রফতানিকারকরা জানান, ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে ফুটওয়্যার লেদার গুডসের রফতানি বাজার থাকলেও বৃহত্তর রফতানি বাজার হচ্ছে জাপান, ইতালি, জার্মানি। এ তিন দেশে মোট ফুটওয়্যার রফতানির প্রায় ৭০ শতাংশ রফতানি হয়ে থাকে। রফতানি উন্নয়ন বে র্যে র (ইপিবি) জানায়, বিশ্বাবাজারে বর্তমানে চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্যের মধ্যে রফতানিকারক পণ্যগুলো হচ্ছে জুতা, মানিব্যাগ, বেল্ট, ভ্যানিটি ব্যাগ, কি ব্যাগ, মেকাপ বক্স ও জ্যাকেট প্রভৃতি।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার এ্যান্ড লেদার এ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টাস এসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ আব্দুর রশিদ ভুইয়া বলেন, বিশ্ববাজারে এ শিল্পের সম্ভাবনা অফুরন্ত। আমাদের সেটি ধরে রাখতে হবে। িএর জন্য এ শিল্পের প্রধান কাচামাল চামড়ার সংগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি মান ধরে রাখতে হবে। প্রতিবছর চামড়ার মতো জাতীয় সম্পদ নিয়ে অনেকের মধ্যে যে ধরনের অব্যবসায়ী সুলভ আচরণ দেখা যায় সে ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
রফতানি হচ্ছে ৩০ টি দেশে, * নতুন সম্ভাবনা মধ্যপ্রাচ্যে, * চীন ও তাইওয়ান থেকে আসছে বিদেশী বিনিয়োগ, * ২০১৩ সালে ফুটওয়্যার রফতানি থেকে ১০০ কোটি ডলার আয়ের সম্ভাবনা, * আগামী ৫ বছরে এ খাত থেকে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা
ফুটওয়্যার ও লেদার গুডসের আধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ কারখানা ও দক্ষ কারিগর সব মিলিয়ে এ শিল্পকে ভবিষ্যতে বৃহত্তর রফতানি খাতে পরিণত করা সম্ভব। বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার এ্যান্ড লেদার গুডস এ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি টিপু সুলতান জানান ফুটওয়্যার ও লেদার গুডসে বাংলাদেশেরও ভবিষ্যত অতি উজ্জল। তিনি বলেন, প্রতিনিয়তই নতুন নতুন বিদেশী ক্রেতা এদেশে আসছেন। আমাদের তৈরি ফুটওয়্যার ও লেদার গুডসে তাদের আস্থা সীমাহীন। তুলনামুলক দামও কম। ফলে দিন দিন বিশ্ববাজারে এর ব্যাপক চাহিদা তৈরি হচ্ছে। তার মতে এ ধারা অব্যাহত থাকলে এবং এ খাতের উন্নয়নে সরকারী সহায়তা পেলে আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে ফুটওয়্যার ও লেদার গুডস থেকে রফতানি আয়ে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি আসবে।
অপর সাবেক সভাপতি ও রফতানিকারক রেজাউল করিম আনসারি বলেন, সরকারী পৃষ্টপোষকতা ছাড়া কোন শিল্পের উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিশ্ববাজারে ফুটওয়্যার ও লেদার গুডসের আজকের যে অবস্থান তার অবদান উদ্যোক্তারই রেখেছেন। তবে সরকার এ সেক্টরকের থ্রাষ্ট সেক্টরের আওতায় নেয়ার পর এ খাতের উন্নয়নের পাশাপাশি রফতানির পাল্লাও ভারি হচেছ। তবে বিশ্ববাজারে রফতানিকারকদের প্রতিযোগীতায় টিকে থাকতে হলে চামড়া আরও মানসম্পন্ন হতে হবে। পাশাপাশি ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেও থাকতে হবে।

0 Comment | Posted By
Categories: Blog

ছোট ফ্ল্যাটের অন্দরসাজ

ছোট ফ্ল্যাট মানেই আন্দরসাজের সব ইচ্ছার বিসর্জন? একেবারেই না। চিরাচরিত ধারণা থেকে খানিকটা বেরিয়ে এসে একটু এক্সপেরিমেন্ট আপরার আন্দরকে দিতে পারে স্মার্ট লুক যা একই সঙ্গে হবে ফাংশনাল। ছোট ফ্ল্যাটের স্মার্ট, ফাংশনাল আন্দরসাজের খোজে নিবেদিতা দাঁ

আজকের দিনে একটা বিলাশবহুল ফ্ল্যাট কেনার সামর্থ চাকরিজীবী মধ্যবিত্তের নেই। তাই সাধ আর েসাধ্যের মধ্যে কিছুটা আপস করে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই একটি ছোট ফ্ল্যাটই তৈরি করতে হয় স্বপ্নের বাড়ি। ছোট ফ্ল্যাট মানেই কোন দিকে কোন ঘর হবে সেটা ঠিক রার সুযোগ কম থাকে । তাও কোন ঘর কোন দিকে হবে সেটা ঠিক করার আগে কিছু জিসিন দেখে নেওয়া প্রয়োজন। যেমন কোন দিকে আলো বেশি, কোন দিকে রোদ কম হবে আবার ভালো এয়ার সার্কুলেশনও আছে। এই সব কথা মাথায় রেখে যাদি রান্নাঘর আর বাথরুম ইস্ট ফেসিং করেন তা হলে আলো বেশি ভাল পাওয়া যায়। অন্য দিকে শোয়ার ঘর বাড়ির পশ্চিম দিকে না করে দক্ষিণ দিকে করলে গরম একটু কম হয়। ছোট ফ্ল্যাট যেহেতু প্রধান সমস্যা জায়গার, তাই তার অন্দরসাজ প্ল্যান করার সময় একটা জিনিস সব সময় মাথায় রাখা উচিত। তা হল, কোনওভাবেই কোনও স্পেস যে আনইউটিলাইজড না থাকে। পারলে একটা ঘরকেই বিভিন্ন কজের জন্যে ব্যবহার করতে পারেন। যেম বসার ঘঢ়রকে রাত্রি বেলায় শোয়ার জন্যে ব্যবহার করতে পারেন। বাড়িতে হঠাৎ কোনও অতিথি চলে এসেছেন অথচ এক্সট্রা বেডরুম নেই, এমন অবস্থায় বসার ঘরে অনায়াসেই এক-দুজনের শোয়র মতো ব্যবস্থা করে নিতেই পারেন। কিচেনের সঙ্গে খাওয়ার ব্যবস্থা করে নিতে পারলে একই সংগে খাওয়ার জন্যে আলাদা কোন ব্যবস্থা করতে হবে না আর খাওয়ার সময় অযথা এ দিক ও দিক করতে হবে না। আবার বসার ঘরে এক দিকে খাওয়ার ব্যবস্থা করতে চাইলে বসার ঘর আর খাওয়ার ঘরের মধ্যে এমন একটা পার্টিশন ব্যবহার করুন যা বেশি জায়গা নেবে না। সুন্দর কাঠের অথবা বেতের পার্টিশন ব্যবহার করা যেতেই পারে। এখন যুগ বদলের সঙ্গে সঙ্গে বাজের এমন সব ফার্নিচার চলে এসেছে যা বিশেষ ভাবে তৈরি হেয়েছে স্পেস সেভিংয়ের ও মাল্টিফাংশনের কথা মাথায় রেখে। আবার স্টেরজে ডিভানের কথাই ধরুন। একই সঙ্গে সোফা, ডিভানও স্টোরেজ ইউনিটের কাজ করে এই মাল্টিফাংশনাল ফার্নিচার । ভাবছেন সোফ কাম বেড তো আগেও ছিল এত নতুনত্বের কী আছে! কিন্ত আগে সোফ কাম বেডের সঙ্গে কি স্টোরেজ ইউনিটও পাওয়া যেত? বোধ হয় না । আজকের দিনের প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখেই এমন ধরনের আসবাবের চাহিদা ও বেড়েচে দিনে দিনে। অথবা ধরা যাক ফোল্ডিং ডাইনিং টেবিলের কথা। চাইলে দুজনের বসার জন্য ও ব্যবহার করতে পারেন আবার ফোল্ডিং পার্ট অ্যারেঞ্জ করে বানিযে ফেলতে পারেন চার জন অথবা ছয়জনের বসার মতো ব্যবস্থা । কভার্ড শ্যু র্যা কের ওপর মোটা গদি পেতে কিন্তু আপনি ব্যবহার করতেই পারেন বসার জায়গা হিসেবে। আর ছোঠ ফ্ল্যাটের কিচেন মানেই এখন মডিউলার কিচেন। দেখতেও সুন্দর আর প্ল্যানেড স্পেস সেভিংসও বটে। বাড়িতে বাচ্চা থাকলে পড়ার টেবল ইজ আ মাস্ট । কিন্ত ছোট ফ্ল্যাটে আলাদা করে পড়ার ঘর অ্যারেঞ্জ করাটা একটু মুশকিল। তাই চাইলে খাওয়ার সময়টা ছেড়ে ডাইনিং টেবিলেই পড়ার কাজ চালানো যেতে পারে। অথবা হ্যাংগিং রিডিং টেবলও বানাতে পারেন। আর একটা কথা, খুব বেশি কার্যকর করা ফার্নিচার ছোট ফ্ল্যাটে ব্যবহার না করাই ভাল। তাতে ঘর বেশি ক্রাউডেড লাগে । ঘর বড় দেখানোর জন্যে জানালায় আপনিপ্যানারমিক স্টাইল ব্যবহার করতে পারেন। এতে ঘরে আলোও ভাল আসবে আর ঘর দেখতেও বড় লাগবে।

ছোট ফ্ল্যাটের অন্দরসাজে দেয়ালে রঙ্গের জরুরি ভূমিকা রয়েছে। যেমন দিল্লির এই ফ্ল্যাটটি একে বারেই ছোট, মাত্র চারশত স্কোয়্যার ফিট। তার মধ্যেই সব ব্যবস্থা রয়েছে, এমনকি গাছপালার শখও বাদ যায়নি। ছোট্ট শোয়ার ঘরের সব দেওয়ালেই হালকা অফ হোয়াইট রং। শুধুমাত্র মাথার কাছের দেওয়ালের ম্যাট ফিনিশ গাঢ় বাদামি রং ব্যবহার করা হয়েছে। আকর্ষক তো বটেই তা ছাড়াও অন্দরসাজের ব্যকরনগত তত্ত্ব অনুযায়ী একদিকের দেওয়ালে গাঢ় রং রাখলে ঘরের সিলিং উচুতে মনে হয় অর্থাৎ ঘরের হাইট বেশি দেখায়। ছোট ঘরে আলাদা করে বেড সাইড ক্যাবিনেট রাখা অসম্ভব । অথচ রাতে ঘুমের আগে বই পড়া গৃহকত্রীর নেশা। পড়ে থাকা পুরোনো কাঠ আর প্রিন্টিংয়ের ব্লক দিয়ে দিব্যি তৈরি করে নিয়েছেন স্লিক অ্যান্ড সিম্পল বুক র্যা ক। অন্যান্য টুকিটাকি জিনিস রাখার ও ব্যবস্থা আছে।

গৃহকত্রী সাজতে ভালবাসেন অথচ ছোট ফ্ল্যাট আলাদা করে ড্রেসিং টেবল রাখা অসম্ভব। শোয়ার ঘরে এয়াকন্ডিশনারের জায়গায় স্থান পরিবর্তন করে সেইখানেই বানিয়ে নিয়েছেন ড্রেসিং ইউনিট। আলোর উপযুক্ত ব্যবস্থা করতেও ভুলেন নি।

ছোট ফ্ল্যাটে অনেক সময়ই আলাদা করে খাওয়ার ঘরের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয় না। বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ফোল্ডিং ফার্নিচার তো আছেই, তা ছাড়াও রান্নাঘর যদি সামান্য বড় হয়, সেখানেই রাখতে পারেন ডাইনিং অ্যারেঞ্জমেন্ট। যেমন এই ছবিটিতে রান্না ঘরটিতে মোনোক্রোম্যাটিক স্কিমে দারুণ। অথবা দুজনের ছোট সংসারের জন্যে পাফেক্ট চয়েস এই ডাইনিং অ্যারেঞ্জমেন্ট। চাইলে একজন এক্সট্রা গেস্টের জন্যেও সহজেই অ্যারেঞ্জমেন্ট করতে পারেন। টেবলের নীচে পা রাখার জায়গা চাইলে কোন জিনিসও রাখতে পারবেন।
দেওয়ালের রং বাছার আগে কয়েকটি প্রাথমিক আইডিয়া থাকা ভাল। যেমন হালকা রং স্পেস ইলিউশন তৈরি করে আর গাঢ় রঙের ব্যবহার জায়গা ছোট দেখায়। তাই ছোট ফ্ল্যাটে যতটা সম্ভব হালকা রং ব্যবহার করাই ভাল। আর হালকা রং একটা সুদিং ইফেক্ট তৈরি করে। আবার ধরুন, যে ঘরে রোদর খুব বেশি আসে সে ঘরে যদি হালকা রং লাগান তাহলে রং তারাতারি নষ্টও হয়ে যাবে আর ঘরটি প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইটেড লাগবে। অপর দিকে যে ঘরে কম আলো আসে সেই ঘরে যদি হালকা লাগালে অনেক বেশি উজ্জল লাগবে। এ ছাড়া ও রঙের আর ও কারেক্টিভ ফাংশন আছে। কোন ছোট ঘরকে বড় দেখানোর জন্য কন্ট্রাস্টিং কালার স্কিম ব্রবহার করুন। ঘরের ছোট দেয়ালগুলি হালকা রং করুন আর বড় দেওয়ালগুলি গাঢ় রং করুন। এতে ঘরটিকে লম্বা লাগবে। যদি কোনও লম্বাটে ঘরকে স্কয়ার লুক দিতে চান , তাহলে লম্বা দেওয়াল গুলি হালকা রং করুন আর ছোট দেওয়াল গুলি গাঢ় রং করুন।
ছোট ফ্ল্যাট মাসে বাথরুমও ছোট। এ ক্ষেত্রেও রং ও বাথরুম ফিটিংস নিয়ে একটু এক্সপেরিমেন্ট আপনার ছোট বাথরুমের পুরো লুকটাই পাল্টে দিতে পারে। ওয়াশবেসিন ঠিক দরজার পাশে রাখুন আর স্নানের জায়গাট যে বাথরুমের দরজার সোজাসুজি না হয়। পারলে একটা সাইড করুন। যদি চান যে স্নান করার জায়গাটা একটু আলাদা রাখবেন, তাহলে পার্টিশন হিসেবে ব্যাবহার করতে পারেন শাওয়ার কার্টেন। আর যদি শখ থাক বাথরুমে থাকবে একটা শাওয়ার কিউবিকল, তাহলেও নো প্রবলেম। ছোট ফ্ল্যাটেও এমন অপশন সম্ভব। যেমন ধরুন এই ছবিতে লম্বাটে বাথরুমের দিকে দেওয়াল জোড়া আয়নার ব্যবহার এবং একটি ট্রান্সপেরেন্ট শাওয়ার কিউবিকলে ব্যবহার তৈরি হয়েছে স্পেস ইলিউশন।

ছোট ফ্ল্যাটের অন্দরসাজে আপহোলস্ট্রিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ক্ষেত্রে ও ব্যবহার মিনিম্যালিজিম হল মূল মন্ত্র। পরদায় বেশি ভারী ফ্যাব্রিকস ব্যবহার করবেন না। হালকা ফ্যাব্রিক আর হালকা রং ব্যবহার করলে ঘর বড় দেখায়। পারলে পরদার লেন্থ একটু বেশি রাখবেন। এতেও ঘধরে এক্সট্রা স্পেস ইলিউশ তৈরি করা যায়। কুশন অথবা রাগস এ মোনোক্রোম্যাটিক কালার স্কিম ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন। এতে ঘরগুলিকে বেশি ক্রাউডেড লাগবে না।

যে কোন বাড়ি আর বিশেষ করে ছোট ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সঠিক লাইটিং এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ছোট ফ্ল্যাটের অন্দরসাজে আলোর ব্যবহার বেশি রাখবেন। কম আলো অথবা অলো আধারির ব্যবহার এ ক্ষেত্রে না করাই ভাল। এতে ঘর আরও ছোট দেখায়। ঘরে যদি কোনও কোনা খালি থাকে, সে ক্ষেত্রে সেই কর্ণারকে ইলিউমিনেট করার জন্যে বাহারি ল্যাম্পশেড ব্যবহার করতে পারেন।
সাধারণত ছোট বাড়িতে বারান্দা ব্যবহার করে অন্দরসাজে প্র্যাগম্যাটিক অ্যাপ্রোচ আনাতে পারেন্ খোলা বারান্দা সবারই প্রিয়। কিন্তু যেখানে একান্তই স্থানাভাব, সে ক্ষেত্রে বারান্দার স্পেসটুকু কাজে লাগান। এতে রুম স্পেস ও বাড়বে। আর এই বাড়তি রুম স্পেস কাজে লাগিয়ে আপনি তৈরি করে ফেলতে পারেন কোনও ওয়াল ইউনিট অথবা একটি ছেট সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট। এই ওয়াল ইউনিট করলে অকারণে ফ্লোর স্পেসও অকুপাই করা হবে না আবার আপনার স্টোরেজের সমস্যাও মিটবে। যেমন দিল্লির এই গৃহকত্রীর মেয়ের ঘরের সঙ্গে লাগোয়া এক চিলতে বারান্দা ঘিরে তৈরি হয়েছে ছোট্ট কোজি বসার জায়গা। মেয়ের বন্ধুরা এলে জমিয়ে আড্ড মারার সুব্যবস্থা । আর এর সঙ্গে মেয়ের প্রয়োজনীয় সব জিনিস রাখার জন্যে একটি মাল্টিপারপাস ওয়াল ইউনিট। যাদের গার্ডেনিংয়ের শখ আছে কিন্তু বসবাস ছোট ফ্ল্যাটে বলে শখের সঙ্গে করতে হয় আপস, তারা চাইলে তাদের শখ মোটাতে পারেন ইন্ডোর প্ল্যান্টসের মাধ্যমে। ঘরের সৌন্দর্য রাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে শরীর ও মন সতেজ রাখতেও সাহায্য কর ইন্ডোর প্ল্যান্টস। হ্যাঙ্গিং পট অথবা প্লান্টারে কিংবা ফেলে দেওয়া কোন সুন্দর শেপের ওয়াইন বটলে লাগিয়ে ফেলুন আপনার পছন্দের বাহারী গাছ। ঘরের কোনও খালি কর্ণারে অথবা বসার ঘরের কোনও সাইডে কিংবা রান্নাঘরেও আপনি রাখতে পারেন বিভিন্ন ইন্ডোর প্লান্ট। ঘরে ইন্ডোর প্ল্যানেটের ব্যবহার অপনার অন্দরসাজ এ আনবে প্রাণের এবং একই সঙ্গে রঙ্গের ছোঁয়া।

ছোট বলে দুঃখ করবেন না। একটু ভাবনাচিন্তা আর এক্সপেরিমেন্টের সাহয্যে মনের মতো সাজিয়ে ফেলুন আপনার এক্সট্রা স্মল লিভিং নেস্ট।

0 Comment | Posted By
Call Now ButtonCall Now!